মা আমার আগে যৌনতা ছিল – 2

উরু চাটছে ছেলে মুখটা উঠে আসছে তলপেটের দিকে,মুখ দেবে নাকি তার ওখানে দ্রুত চিন্তা করে মধুরিমা’ছেলে হয়তো চুষবে তার ঐ জায়গাটা, তা চুষুক,এ খেলায় একসময় তাকে দিতেই হবে সব,তবে তার ভিতরে অয়নের অনুপ্রবেশ যতটা সম্ভব দেরী করাতে হবে তার।’আহহঃ ভাবতে না ভাবতেই’অয়নের জিভের ডগা স্পর্ষ করে মধুরিমার ভগাঙ্কুর। লজ্জা সম্পর্ক সব ভুলে যায় মধুরিমা,প্রাচিনকালে সেই আদিম সমাজে মা ছেলে বাবা মেয়ে সম্পর্কের কোনো বেড়াজাল ছিল না,অবলিলায় মা সঙ্গম করত ছেলের সাথে,বাবা ভাই এর কাছে দেহ মেলে দিত কিশোরী মেয়ে,দেহভোগ,কি যেন পড়েছিলো অশ্লীল বইটায়..হ্যা,’চোদোন,’অয়নের জিভ চেটে দিচ্ছে যোনীর ফাটল,দুআঙুলে তার কামানো কোয়া দুটো ফেড়ে ধরে জিভের ডগাটা গোলাপি যোনীর ভিতরে দিতেই কুকুরের পেচ্ছাপের ভঙিতে এক হাঁটু ভাঁজ করে উরু উপরে তুলে তলপেট অয়নের মাথা চেপে ধরে

“হারামজাদা চোষ চোষ মায়ের গুদ চুষে দেএএএ..আহহহঃ..”বলে চোষনরত অয়নের তিব্র জিভে মাতৃরাগমোচোন করে মধুরিমা।

তার শিক্ষিতা সুন্দরী ব্যাক্তিত্বময়ী মায়ের মুখে গোপোন নারীঅঙ্গের অশ্লীল প্রতিশব্দ উচ্চারিত হতে শুনে বিষ্ফোরন ঘটে অয়নের মাথার ভিতরে,এক ঝটকায় উঠে দাঁড়িয়ে পরনের জিন্স জাঙিয়া নামাতেই ছেলের সামনে হাটু মুড়ে বসে অয়নের খাড়া লিঙ্গটা মুখে পুরে নেয় মধুরিমা তিব্র বেগে লিঙ্গটা চুষে দিতেই নিজেকে হারিয়ে ফেলে অয়ন

“আহহহঃ মামনি..মধুরিমা আহহহঃ,” বলে মায়ের যোনী কল্পনায় গোলাপি ঠোঁটের ভিতরে ঢেলে দেয় গলিত তরল।

মুখের মধ্যে ছেলের বির্যের স্পর্ষে সম্বতি ফিরে পায় মধুরিমা। আজ কামের ঘোরে সব সীমারেখা পার করে ফেলেছে সে।মুখ ভর্তি বির্য দ্রুত কুলি করে ড্রেসিং রুমের কোনায় জিনিষটা ফেলে দিয়ে নিজের অবিন্যস্ত অবস্থা সামলাতে শুরু করে সে।প্যান্টিটা কোমোরে তুলে শাড়ী পেটিকোট নামিয়ে শাড়ীর আঁচল ব্লাউজের হুক,বিন্যস্ত করে আয়নায় নিজেকে দেখে যতটা সম্ভব ভদ্রচিত করে তোলে নিজেকে।বির্যপাতের আনন্দ তাও দেবভোগ্য মামনির মুখে কাল রাতের পর।যোদিও মামনির কামানো যোনী দেখার পর ওটাতে নিজের পরোয়ানা প্রবেশ না করাতে পারার আক্ষেপ,যদি মুখে না ঢুকিয়ে একটু জোর করে হলেও মামনির যোনীতে দিত লিঙ্গটা।উত্তেজনার এই অবস্থায় বাধা দিতে পারতোনা মামনি…

“চলো,যাওয়া যাক,”মায়ের কথায় চিন্তার জাল ছিন্ন হয় অয়নের।

হ্যা,চলো,বলে দরজা খুলে বাইরেটা দেখে কেউ নেই দেখে বেরিয়ে আসে দুজন।

তোমার আর কিছু কেনার আছে?ছেলেকে জিজ্ঞাসা করতে মাথা নাড়িয়ে লাজুক হ্যা বলে অয়ন।

কি জিজ্ঞাসু চোখে প্রশ্ন করে মধুরিমা।লাজুক মুখে একটা ড্রেস সেকশনের দিকে ইঙ্গিত করে অয়ন।সেকশন টা ব্রা প্যান্টি আর লিঞ্জেরির।ছেলের দিকে পুর্ন চোখে তাকায় মধুরিমা। মায়ের টকটকে লাল গম্ভীর অনিন্দ্যসুন্দর মুখটা দেকে অয়ন।বড়বড় কালো চোখের কোল ভেজা ভেজা।কালো চোখের তারায় আগুন টিকোলো নাঁক ঘেমে আছে পাটা দুটো ফুলে ফুলে উঠছে,কমলার কোয়ার মত অধর মুক্তর মত দাঁতের ঝিলিক,বিশাল স্তনের ঢেউ এর ওঠানামা অয়ন জানে দেখেছে ওদুটো,এই বয়াষেও গোলাকার বাতাবী লেবুর মত।এসির নিচেও ঘামে গোল হয়ে ভিজে আছে মেরুন ছোট হাতা ব্লাউজের বগল,আহঃ সুগন্ধ মায়ের বগলে,’একদিন,’ভাবে অয়ন,’একদিন এই মামনির বগলে লিঙ্গ ঢোকাবে সে,যেদিন মাসিক হবে,যেদিন যোনীতে অনুপ্রবেশ স্যানিটারি প্যাডে বাধাগ্রস্থ হবে সেদিন মামনির শরীরের সুগন্ধিত যোনীর মত নরম ঐ খাজে লিঙ্গমনি ঘসে ঘসে বির্যপাত করবে সে…’

“কি হল,কি ভাবছো?”মায়ের কথায় চিন্তার কল্পনার জাল ছিন্ন হতে মাথা নাড়িয়ে

“কিছুনা,”বলে মিষ্টি হাঁসে অয়ন।

ছেলের হাঁসিতে মুগ্ধ হয়ে চেয়ে থাকে মধুরিমা।কি সুদর্শন আর হ্যান্ডসাম নিঃস্পাপ অথছ সেক্সি।

“তুমি কিন্তু খুব অসভ্য হয়ে গেছ অয়ন।মায়েরা কখনো ছেলেদের সাথে তাদের আন্ডারওয়্যার কেনেনা।”বুকে হাত বেধে ব্যাক্তিত্বময়ী গলায় অয়নকে বলে মধুরিমা। আসলে ড্রেসিংরুমে যে সুতোটা ছেড়ে দিয়েছিলো সেই সুতোর নিয়ন্ত্রনই আবার ফিরে পেতে চেষ্টা করে সে।

হতাসা আর লজ্জায় মুখটা নিচু করে থাকে অয়ন।বলে যায় মধুরিমা

তুমি জিন্স কিনেছো,টপস,স্কার্ট,তার মধ্যা একটা আবার মিনি স্কার্ট, এখন আবার আন্ডারগার্মেন্টস,তুমি..

“প্লিজ মামনি,একবারই তো শুধু,”

“না,আমি জানি ওগুলো কিনলে তুমি আমাকে পরার জন্য জেদ করবে,আর দেখলে নিজেকে সামলাতে পারবেনা,আমার সাথে জোর করবে,আমি বাধ্য হব,আর তারপর আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারবো না,তখন মৃত্যু..”

তাড়াতাড়ি মায়ের মুখে হাত চাপা দেয় অয়ন।

আমি তোমাকে ভালোবাসি মামনি,তুমি আমার জীবন,আমি কথা দিচ্ছি আমি শুধু দেখবো,তুমি না চাইলে কখনই ছুঁবনা তোমাকে।

“প্রমিজ,”

“প্রমিজ,”মায়ের হাতে হাত রেখে বলে অয়ন।পাশ দিয়ে বেশ লোকজন যাওয়া আসা করলেও পশ এই শপিং মলে কেউ কারো দিকে তাকানোর কোনো অবকাশ নেই।

“ঠিক আছে চল,”বলে হাঁসে মধুরিমা। মায়ের অনুমোদিত হাঁসিতে মুখটা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে অয়নের।মাছেলে দুজনে যেয়ে ঢোকে আন্ডারগার্মেন্টস সেকশনে দুপুর বেলা ওয়ার্কিং ডে তাই মলে ভিড় বেশ কম।ঘুরে ঘুরে ব্রা প্যান্টির সেকশনের ডামী ডলগুলোতে পরানো সেট গুলো দেখে দুজন,এগুলো সব এক্সক্লুসিভ ডিজাইনারের করা ব্রা প্যান্টি মডেলরা পরে ক্যাটওয়াক করে।এসব কখনো কেনেনা মধুরিমা।আসলে এইসব ফ্যান্সি প্যান্টি মেয়েরা তাদের পুরুষদের সিডিউস করার জন্য পরে।এতদিন,চব্বিশটা বছর কেউ ছিলোনা দেখার,ছেলের হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে ছেলের দিকে তাকিয়ে,’এতদিনে পেয়েছি তাকে, ‘ভাবে মধুরিমা,’না কোনো পাপবোধ নেই তার।জানে অয়নেরও নেই অমন কিছু।থাকলে এই অসম্ভব কখনো সম্ভব হত না।নিজের রুপের ব্যাপারে জানে মধুরিমা,তার মত সুন্দরী যে লাখে একটা পাওয়া যায় জানে সে,হয়তো প্রকৃতিই চায় এই সম্পর্ক। মায়ের ভালোবাসা সেই সাথে পরিপুর্ণ কামনা।

Read This: গোপার গুদের সুখ -1

একটা হালকা ক্রিম রঙের লিঞ্জেরি পছন্দ করে অয়ন,নাইলনের জিনিষটা প্রায় স্বচ্ছ,ঝুল টা কোনোমতে নিতম্ব উরুসন্ধি পর্যন্ত পৌছাতে পারে,একটু নড়লেই হাঁটলে বা শরীরের সঞ্চালনেই যে তলে পরা অন্তর্বাস বা নগ্ন নারী অঙ্গের আভাস পিছন থেকে নিতম্বের চেরা দেখা যাবে এটাতে নিশ্চিত মধুরিমা,কাধের কাছে দুটো নুডল স্ট্রাপ বুকের কাছে কুঁচি মতন,ভ্রু তুলে একবার ছেলের দিকে তাকায় মধুরিমা,অয়নের চোখে অনুনয় দেখে ঠোঁট টিপে হেঁসে কাউন্টারের সেলসগার্লকে বলতেই জিনিষটা প্যাকেট করে রেডি করে মেয়েটা।

“আর কি?”ছেলের দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে মধুরিমা। মাথা চুলকে লাজুক চোখে মায়ের দিকে তাকাতে মুখে মিষ্টি প্রশ্রয়ের হাঁসি দেখে নিজের আত্মবিশ্বাসের শক্তি ফিরে পায় অয়ন

“এবার ব্রা আর প্যান্টি, “বলে বোকার মত হাঁসতেই ঠোঁট টিপে হেঁসে সেলসগার্লকে প্যান্টি আর ব্রা দেখাতে বলে মধুরিমা।

“ম্যাডাম আপনার সাইজ,”সেলসগার্ল জিজ্ঞাসা করতেই,আড়চোখে ছেলেকে দেখে

“থার্টিসিক্স ডি,প্যান্টি স্টান্ডার্ড,”বলতেই মেয়েটা অনেকগুলো প্যাকেট বের করে বেশ কতগুলো ডিজাইন দেখায় মধুরিমাকে।বাড়ীতে শাড়ীর তলে প্যান্টির বালাই নেই বাইরে গেলে সাধারনত দামী প্যান্টিই পরে মধুরিমা।সিল্কের অথবা পাতলা জাপানী নাইলনের ফ্যান্সি টাইপের পছন্দ তার,কিন্তু আজ ছেলের পছন্দের উপরই ছেড়ে দেয় সে,বিভিন্ন কালারের বিভিন্ন ডিজাইনের প্যান্টি এসবে তার মামনির ভরাট নিতম্ব উরুসন্ধির খাঁজ কিরকম মোহোনীয় লাগবে এই রুপকল্পনায় চোখ ছানাবড়া, নিঃশ্বাস ঘন,এসির নিচেও ঘেমে ওঠে অয়ন।যুবক ছেলের আনাড়িপনায় বেশ মজা পায় মধুরিমা,একটা হালকা গোলাপি প্যান্টি ব্রা সেট পছন্দ করে অয়ন,তাকে একটা বেগুনী আর লাল লেসি প্যান্টির মধ্যে বাছাই করতে দেখে সেলসগার্ল মেয়েটা

“ম্যাডাম আমাদের কাছে কিছু এক্সক্লুসিভ টং টাইপের প্যান্টি আছে দেখাবো কি? “জিজ্ঞাসা করতেই,টং কি জিনিষ না বুঝেই হ্যা হ্যা দেখান বলে ওঠে অয়ন।অয়নের আনাড়ি অসভ্যতায় এবার মনে মনে একটু বিব্রত হয় মধুরিমা। টং কখনো পরেনি সে,সেলসগার্লের সামনে মানাও করতে পারছেনা অয়নকে,মেয়েটা তাদের কাপল ভেবেছে, এখন যদি বোকা ছেলেটা ‘প্লিজ মামনি’ বলে বসে তাহলে লজ্জার শেষ থাকবেনা।এদিকে সেলসগার্ল বেশ কতগুলো টং বের করে দিতেই জিনিষগুলোর সংক্ষিপ্ত আকার নিতম্বের দিকের শর্ট স্ট্রাপের বহর দেখে চোখ দুটো চকচক করে ওঠে অয়নের।এই জিনিষ তার মামনির ফর্সা বিশাল নিতম্বের বিভাজিকা ছাড়া প্রায় সম্পুর্নটাই দেখার ব্যাবস্থা করবে তার জন্যে।

এটা আর এটা,”একটা লাল সিল্কের আর হলুদ ফ্রিলের টং বাছাই করে দেয় অয়ন।লাল সিল্কেরটায় নিতম্বের দিকে শুধু সিকি ইঞ্চির পাতলা একটা ফিতা মাত্র,আড়চোখে জিনিষটা দেখে তলপেটের নিচে তার ফোলা কামানো নারী অঙ্গের ফাটলের ভেতর শিরশির করে জল সরার অনুভূতি টের পায় মধুরিমা সেইসাথে এই প্যান্টিতে তাকে দেখে নিজেকে অয়ন সামলাতে পারবে কিনা এ বিষয়ে ঘোর সন্দেহ দেখা দেয় তার মনে।

“স্যার,আমাদের কাছে কিছু ক্রচ লেস প্যান্টিও আছে যদি আপনি ম্যাডামের জন্য নিতে চান।”সেলসগার্ল এবার অয়নকেই কথাগুলো বলতে,লজ্জায় মুখটা লাল হয়ে যায় মধুরিমার।

“সেটা আবার কি,”এবার সেলসগার্ল আর মধুরিমা দুজনেরই মুখ লাল,মনে মনে সেলসগার্ল কে গাল দিলেও মুখটা যেন লজ্জা পেয়েছে এভাবে অন্যদিকে ফিরিয়ে নেয় মধুরিমা।লজ্জা পেলেও কোলকাতার সবচেয়ে অভিজাত পশ শপিং মলের ট্রেনিং পাওয়া সেলসগার্ল জিনিষ বিক্রির জন্য যতটা বোল্ড হওয়া যায় ততটাই তুখড়,সেইসাথে অয়নের মত তরুন হ্যান্ডসাম কাষ্টমার অনায়াসে
“ক্রচলেস মানে ক্রচের কাছটা কাটা মানে ‘ভেজাইনাল লিপস’দেখা যাবে আরকি।এবার নিজেকে সামলে নেয় অয়ন

“না না ওটা লাগবে না,”বলতেই হাঁপ ছেড়ে বাঁচে মধুরিমা।

“ম্যাডাম বিকিনি কি লাগবে?”সেলসগার্লের জিজ্ঞাসায় মেয়েটা তাদের হানিমুন কাপল ভেবেছে বুঝে মজা পায় মধুরিমা,অয়ন এবার রিস্ক না নিয়ে তার দিকে তাকাতেই মাথা নেড়ে

নো থ্যাংকস বলে ক্রেডিট কার্ড এগিয়ে দিতেই বিল পেমেন্ট করে মেয়েটা।জিনিষগুলো নিয়ে বেরিয়ে গাড়ীতে ওঠে মা ছেলে।

গাড়ী চালাতে চালাতে মামনি কে কেনা পোষাক গুলোতে কেমন লাগবে মনে মনে কল্পনা করছিলো অয়ন,তার মাথার পিছনের দেয়ালে সিনেমার মত অসংখ্য সব অশ্লীল অসভ্য দৃশ্য,কেনা প্যান্টিতে কল্পনায় মধুরিমাকে কেমন দেখাবে মনে মনে সেই ভাবনায় মায়ের মুখমৈথুনে একবার বির্যপাত হলেও উত্তেজিত হয়ে উঠছিলো সে।তার উপরে মামনির দেবভোগ্য যোনী দর্শন হয়েছে আজ।এত কাছ থেকে সব কল্পনাকে হার মানিয়ে সুন্দর মধুরিমার যোনীদেশ।যোনীকুন্ড কামানো লোমকূপের আভাসে ফর্সা ত্বকের তুলনায় ইষৎ গাড় কিছুটা গোলাপি আভাযুক্ত, পুরো বেদিটা মাখনের দলার মত মাংসল আর পুরু, যোনীর কোয়া দুটো এবয়েষেও সন্তানবতী হওয়া স্বত্তেও জোড়বদ্ধ। বেশ লম্বা ফটল কালচে ছোলার মত ভগাঙ্কুর ভেজা ভেজা,তলপেটে মুখ ডুবিয়ে যোনী চুষেছে অয়ন,মিষ্টি একটা মেয়েলী গন্ধ মামনির যোনীতে সান্তুরের পারফিউমের গন্ধ ছাপিয়ে মেয়েলী পেচ্ছাপের গন্ধের সাথে সুবাসটা এখনো লেগে আছে অয়নের নাঁকে মুখে।

“এত কি ভাবছো,”মধুরিমার প্রশ্নে চিন্তার জালটা ছিঁড়ে যায় অয়নের।

তোমাকেই ভাবছিলাম,”ডান হাতে স্টিয়ারিং ধরে রেখে বাম হাতে মধুরিমার উরুর নরম মাংস টিপে ধরে বলে অয়ন।কোমোল উরুতে ছেলের পুরুষালী শক্ত হাতের মর্দনে প্যান্টির ভেতরে রস ক্ষরন শুরু করে মধুরিমার যোনী’বিশ বছরের জমানো কামনা, পুরুষের শক্ত উপর্যুপরি মৈথুন ছাড়া গরম মিটবে না,’ভাবে মধুরিমা, আজ শেষ সীমারেখা পার করেছে সে,সমিরনের প্রতি ঘৃনা এতদিনের অব্দমিত কামনা তার প্রতি পেটের ছেলের কামনা সেই কামনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেযাওয়ার দুর্ঘটনা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়েছে তার।সেই শান্ত ব্যাক্তিত্বময়ী মধুরিমার পরিবর্তে একজন কামুকী বিকৃতরুচির দেহসর্বশ্য মহিলার উত্থান ঘটেছে তার ভেতরে,অশ্লীল সব ইচ্ছা অসভ্য সব অভিরুচি জেগে উঠছে শরীর জুড়ে।সেই সাথে একটা সুদুরপ্রসারি পরিকল্পনা দাঁনা বাধছে মনের গহীনে।

“শোনো আজ কিন্তু ওসব করবে না তুমি,”ছেলের দিকে তাকিয়ে বলে মধুরিমা।

“মানে?” রাস্তা থেকে চট করে ফিরে বলে অয়ন।

“মানে আরে ওটাকে কি বলে,”হাত নাড়িয়ে মৈথুনের ভঙ্গি করে বলে মধুরিমা।

“মানে কি তুমি আজ ওগুলো পরবে না”গলায় হতাশা ফুটিয়ে বলে অয়ন।

“আহঃ হা,এক্সিডেন্ট করবে তো,আজ আর না।”

“প্লিজ মামনি,”

“জেদ করেনা অয়ন,আমি কিন্তু রাগ করবো তাহলে।”যেন ছোট্ট ছেলেকে চকলেট দেবেনা এমন গম্ভির কিন্তু মদির একটা টানে বলে মধুরিমা।

“কিন্তু.. কিন্ত…”

“একবার ওসব বের করেছো তুমি,আমাকে ওসব পরতে দেখলে আবার ইচ্ছা হবে তোমার, ঘনঘন ওসব করলে স্বাস্থ্য খারাপ হবে তো।”

“কিচ্ছু হবে না,আর ঠিক আছে কিছু করবো না,শুধু দেখবো,প্লিইইজ মামনি প্লিজ…।যোনী ঘামছে অয়নের হাতের তালু তার উরু খামচে ধরে আছে পাথরের মত শক্ত ছেলের আঙুল তার মাখনের মত নরম মাংসে ডুবে গেছে যেন।ঠোঁট কামড়ে মৃদু একাটা রাগমোচোনের ঢেউ সামলায় মধুরিমা।একটা ঘোর একটা প্রবল তৃষ্ণা মনে হচ্ছে শাড়ী শায়া তুলে নিজেকে মেলে দেয়,অয়নকে বলে,’ঢোকা ইচ্ছা মত ঢোকা তোর মায়ের গু..’

প্লিজ মামনি,প্রায় ককিয়ে ওঠা ছেলের কাতর কথায় ঘোর কাটে মধুরিমার।

“না সোনা আজ আর না,তোমার পড়া শোনা আছে।”

“এখন না তো রাতে,প্লিজ মামনি শুধু একবার, ”

আহঃ হা,ঠিক আছে যেকোনো একটা কিছু,শুধু একবার কিন্তু,দেখা হলেই ঘুমাতে যাবে তুমি।

“ওকে,কিন্তু কোনটা পরবে আমি পছন্দ করে দেব।”কিছু বলেনা মধুরিমা সামনে তাকিয়ে থাকে এক দৃষ্টিতে। বিকেল হয়ে গেছে।বাড়ী পৌছে ছেলেকে জলখাবার দেয় মধুরিমা চা খেতে খেতে দুজন দেখে দুজনকে।অয়নের চোখে অবাক মুগ্ধতা তিব্র আবেগ আর উত্তেজনা,কিছুটা আনমোনা মধুরিমা,মাকে ভাবতে দেখে

কি ভাবছো মামনি,জিজ্ঞাসা করে অয়ন।

ছেলের চোখের দিকে তাকায় মধুরিমা,”তোমার সাথে কিছু কথা আছে অয়ন।”

বল,”

তুমি কি সত্যি চাও,আই মিন,বড় কিরে শ্বাস নেয় মধুরিমা,সত্যি কি আমার সাথে,নিজের মায়ের সাথে সঙ্গম করতে চাও তুমি।এ যেন মেঘ না চাইতেই জল

অবকোর্স,জীবনে এছাড়া আর কিছু চাওয়ার নেই আমার”উত্তেজনায় কেঁপে ওঠে অয়নের গলা।

“তার জন্য তোমাকে কিন্তু আমি অনেক পরীক্ষা করবো অয়ন।”

“মানে?”

“মানে ভবিষ্যৎএ আমাকে তুমি ঘৃনা করবে কিনা তার পরীক্ষা, তোমার ভালোবাসা কতটা খাঁটি তার পরীক্ষা।”

“মানে তুমি বলতে চাও আমি তোমাকে ভালো বাসিনা,”হতঃভম্ব গলায় বলে অয়ন।

“আমি তোমার মা,সেই ভালোবাসা ঠিক আছে,”কিন্তু আমাদের সম্পর্ক আজ যেদিকে চলেছে তাতে হঠাৎ করেই ঘৃনার বিজ রোপিত হতে পারে।একটা অসম্ভব সম্পর্ক আমরা তৈরী করতে চলেছি।যেকোনো সময়,শরীরের ক্ষিদে মিটে যাবার পর মনের মধ্যে ক্লেদের জন্ম হতে পারে তোমার।

Read This: মা আমার আগে যৌনতা ছিল – 1

“আমি তোমাকে সবসময় ভালোবাসবো মামনি, তাড়াতাড়ি মধুরিমার চেয়ারের সামনে মাটিতে বসে হাঁটু দুটো চেপে ধরে,”আমি..আমি কখনই কোনোদিন তোমাকে ঘৃনা করতে পারবো না তাছাড়া…

“সেই জন্যই তোমার পরীক্ষা নিতে চাই আমি,জানতে চাই আমি খারাপ কিছু নোংরা কিছু করার পরও তূমি আমাকে ভালোবাসতে পারো কিনা।”

তুমি যত ইচ্ছা পরীক্ষা নাও যা ইচ্ছা কর শুধু আমাকে ছেড়ে যেওনা, আর..আর..

“ঠিক আছে,একটা বছর তোমার পড়া শোনা শেষ করবে তুমি,”

“কিন্তু..বাধা দিয়ে তোমাকে না পেলে..”

“আহঃ হা,শোনো আগে,এই একটা বছর তুমি আমাকে দেখতে পাবে ইচ্ছে মত স্পর্ষ করতে পারবে শুধু ঢোকাতে পারবে না আমার ভেতরে।”

“মানে?”চোখ দুটো গোলগোল করে বলে অয়ন।

“মানে তোমার পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সঙ্গম করবোনা আমরা..”

“আমি..

থামো,আমার কথা শেষ হয়নি এখনো, এই একটা বছর হবেতোমার পরীক্ষার বছর,আমি যা করবো বিনা দ্বীধায় মানতে হবে তোমার।আমি যা বলবো যা করবো তাতে কোনো প্রতিবাদ চলবেনা তোমার।এই এক বছরে তোমার ক্যারিয়ার গড়বে তুমি।আমার পরীক্ষা তোমার ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা দুটোতেই যেদিন পাশ করবে সেদিন তোমাকে সঙ্গম করতে দেব আমি,এই শহর ছেড়ে চলে যাব আমরা,যেখানে মা ছেলে হিসাবে কেউ চিনবে না আমাদের।কথাগুলো এক নিঃশ্বাসে বলে চুপ করে মধুরিমা।

Click on Page Number and Read Next Page…