মা আমার আগে যৌনতা ছিল – 3

উহঃ মামনি,আমি সহ্য করতে পারবো না,আমার পবিত্র দেবীর মত সুন্দর মামনীকে কোনো বিকৃত রুচির কোনো বুড়ো নেংটো করবে হেংলার মত চাটবে চুষবে কামড়াবে আমার মামনির সুন্দর জিনিষটা ভেতরে নোংরা জিনিষটা ঢুকিয়ে ভোগ করে নোংরা করবে এ আমি সহ্য করতে পারবোনা আমি আমি..তার আগে মরে যাব আমি..তাড়াতাড়ি ছেলের মুখে হাত চাপা দেয় মধুরিমা,রাগি গলায়

“এই তোমার ভালোবাসা,এই তোমার মনের জোর,এখনি যদি এমন ছেলেমানুষি কর,ভবিষ্যৎএ যখন বয়ষ বেশি হবে নিজের মায়ের সাথে এসব করেছো এই পাপবোধ কি আসবেনা বলতে চাও?”

“মামনি তুমি আমার জীবনস্বর্বস্য আমার একমাত্র কামনা বাসনা আমার সবকিছু, তুমি কি জান না তুমি কত সুন্দর? ছেলে হিসাবে নয় একজন প্রেমিক হিসাবে তোমাকে চাই আমি,আমার দুর্ভাগ্য সৌভাগ্য দুটোই যে তোমার ছেলে আমি,দুর্ভাগ্য এজন্য যে আমার কামনা তোমার জন্য নিষিদ্ধ সমাজের চোখে,আর সৌভাগ্য তোমার ছেলে হওয়ায় তোমার রুপের এই ছোয়া তোমাকে কাছ থেকে অবলোকোন করার এই সহজ সুযোগটা তৈরী হয়েছে আমার জন্য।”ছেলের বলা কথা গুলো শুনে নিঃশ্চুপ হয়ে কথা গুলো মনের ভেতরে উল্টেপাল্টে দেখে মধুরিমা। এই সুযোগে মধুরিমার প্যান্টির লেগব্যান্ড সরিয়ে একটা আঙুল রসে পিচ্ছিল যোনীবেদির উপর স্থির করে কোমোর এগিয়ে নিয়ে লিঙ্গের ডগাটা মধুরিমার নগ্ন পালিশ উরুর নরম গায়ে চেপে ধরে অয়ন

কিন্তু..

কোনো কিন্তু না মামনি

যদি এই সম্পর্কের কারনে ঘৃনা হয় আমার প্রতি,

হবেনা মামনি,নিজের লিঙ্গের মাথাটা সিল্কের মত মধুরিমার উরুর গায়ে ঘসতে ঘসতে বলে অয়ন,তার আগে আমাদের মাঝে সেতুবন্ধন চলে আসবে মামনি,আমাদের সন্তান একটা দুইটা,অনেকগুলো…কথাগুলো রিনরিন করে বাজে মধুরিমার কানে প্রবল জোয়ারে যেন মাতৃস্নেহের সাথে তিব্র কাম,স্তন দুটো টনটন করে তার তলপেটের নিচে কি যেন হচ্ছে জোয়ারের মত বেরিয়ে যাচ্ছে কামরস, পাশ ফিরে অয়নকে জড়িয়ে ধরে মধুরিমা প্রবল আলিঙ্গন চুম্বন দুটো দেহ মিশে যায় বিছানায় পশুর মত ফোষ ফোষ করে হাঁপায় দুজন ছেলের আঙ্গুল ভগাঙ্কুর খুঁটছে তার আঙুল দেবে নাকি,ইসস,হাত বাড়িয়ে উরুতে ঘসা খাওয়া অয়নের লিঙ্গ চেপে ধরে মধুরিমা।মামনির টুলটুলে কমলা লেবুর কোয়ার মত রাসালো ঠোঁটে চুমু খায় অয়ন

এক ঝটকায় মধুরিমার বুকের উপরে উঠে আসে অয়ন এর মধ্যে খোলা পাজামাটা হাটুর কাছে নেমে গেছে তার মধুরিমার নরম দুই উরুর ফাঁকে দৃড় পাথরের মত শক্ত লিঙ্গটা ঢুকে যেতেই একরকম আঁৎকে উঠে দুউরু চেপে যোনীর দিকে অগ্রসরমান ছেলের কামনা কে বাধা দিতে আসহায় প্রয়াস চালায় সে।মামনির ঠোঁটে বার বার চুম্বন করে অয়ন কামঘন চুমুতে ভিজে একাকার হয়ে যায় মধুরিমার যৌবনের উথলে পড়া বদ্বীপের মোহনা।বুকের উপরে উলঙ্গ অয়ন মায়ের ভরা যৌবন ভেজা যোনীতে ঢোকার আকাঙ্খায় টানটান হয়ে আছে তার চব্বিশ বছরের আট ইঞ্চি দির্ঘ পুরুষাঙ্গ।ঘন ঘন কামার্ত নিঃশ্বাস,পাতলা লিঞ্জেরির তলে প্রায় উলঙ্গিনী মধুরিমা টং প্যান্টিটা এতটাই ভিজেছে যে ফোলা কড়ির উপরে ওটার অস্তিত্ব আছে কিনা সেটা বোঝা মুশকিল,মামনির কাধের কাছে লিঞ্জেরির স্ট্রাপ দুটো টেনে নামিয়ে দেয় অয়ন,বাধা নয় অনুযোগ ফিসফিস করে মদির গলায়

Read This: চোদনবাজ জামাইবাবুর কাছে কুমারি শালীর হাতেখরি

সোনা,অমন করেনা, কি কথা ছিলো,বললেও ততক্ষণে টেনে নামিয়ে তার বুকের নরম বিশালাকার উদ্ধত ঢিবি উন্মুক্ত করে ফেলেছে অয়ন,এক হাতে একটা চটকে ধরে মুখে পুরে নিয়েছে অন্যটির রসালো চুড়া।উরুর ভাঁজে বন্দি ছেলের লিঙ্গের উত্তাপ স্তনে বলিষ্ঠ হাতের তিব্র মর্দন,রাগমোচোনের বিশাল এক ঢেউ আছড়ে পড়ে মধুরিমার যোনীর মোহনায়। আসাধারন এক অনুভূতিতে মাতাল অয়ন,তার সুন্দরী মামনির দেহে প্রায় উপগত সে,তার লিঙ্গের দু ইঞ্চি দুরেই দেবভোগ্য যোনী,একবার ঢোকাতে পারলেই ভেঙ্গে যাবে সব সংস্কারের দেয়াল,মা ছেলের পরিচয় ছাপিয়ে উঠবে আদিম নারী পুরুষের চিরচারিত আত্মপ্রকাশ ‘তার বিচির থলিতে,’ভাবে অয়ন, যে পরিমান বির্যরস জমা আছে,এক চোদোনেই মধুরিমাকে গর্ভবতী করতে পারবে সে।’ছেলের চিন্তার স্রোত,ধরা পড়ে মধুরিমার মনের এণ্টেনায়,নিজের রগমোচোনের আনন্দের পর স্বভাবিক চিন্তার শক্তি ফিরে আসতে শুরু হয়েছে তার,অয়ন বাহু তুলে তার ডান বগলের তলাটা চাটা অবস্থায় ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে

“অয়ন, সোনা আমার, এবার থামো অনেক হয়েছে বাবা,”বলে যুবক ছেলের ছুটন্ত কামনার রথের ঘোড়ায় লাগাম পরাতে চেষ্টা করে মধুরিমা।

“কি সুন্দর গন্ধ মামনি তোমার গায়ে,”বগলের তলা চেটে মুখ তুলে বলে অয়ন

“তাইই,তোমারিতো সব সোনা,এবার ওঠো,আর নয়,অনেক রাত হয়েছে এবার শুয়ে পড়,”বলে ছেলেকে সরাতে চেষ্টা করে মধুরিমা।

প্লিইজ,মামনি

কি প্লিজ

“একবার এখানে,মধুরিমার ভেজা প্যান্টির উপর দিয়ে যোনীতে হাত রেখে বলে অয়ন,”একবার শুধু ঢোকাবো..

উঠে বসে মধুরিমা,দুহাতে ছেলের গলা জড়িয়ে,

এখন নয়,একাটা সুন্দর দিনে সুন্দর মুহূর্তে তোমাকে সব দেব আমি

কিন্তু…

“তুমি কিন্তু কথা দিয়েছিলে আমাকে,আমি জানি বিশ্বাস করি,অন্তত আমার ছেলে কথা দিয়ে কথা রাখে।”

“কিন্তু, “টেনে নিজের দৃড় লিঙ্গটা মধুরিমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে,”এটার কি হবে,”বলে কাতর অভিব্যাক্তি করে অয়ন।ছেলের উৎক্ষিপ্ত অবস্থা দেখে মুখটা গম্ভির হয়ে যায় মধুরিমার,ছেলের চোখের দিকে তাকিয়ে,

একবার মলে বের করেছো তুমি,বার বার তোমাকে ওসব করতে দেব না আমি,

“প্লিইজ মামনি,একবার,”বলে মধুরিমার তলপেটের নিচে হাত চালিয়ে দেয় অয়ন।ছেলের মুখামুখি পা কিছুটা মেলে বসেছিলো মধুরমা ছেলের আঙুল ভেজা পাতলা সিল্কের প্যান্টির উপর দিয়ে সরাসরি তার ফাটলের নিচে যোনীদ্বার স্পর্ষ করায় কেঁপে ওঠে তার শরীর।কাতর হয় অয়ন

মামনি প্লিজ,”বলে হাতটা এগিয়ে মামনির বাবুইপাখির পুর্ন দখল নিতে চেষ্টা করে সে।ততক্ষণে সামলে নিয়ে অয়নের বাড়ন্ত হাত দুউরুতে চেপে ধরে মধুরিমা,’যাক বাবা আর একটু হলেই ছেলের আঙুলের ডগা ঢুকে পরত তার গোপোন গর্তে। ‘

“না অয়ন আর নয়,”বলে ছেলের হাতটা নগ্ন উরুর মাঝ থেকে সরিয়ে দিলেও ছেলের দন্ডটা ধরেই থাকে মধুরিমা।

একবার মামনি,তারপর তুমি যা বলবে আমি তাই শুনবো,”আর একবার কাতর অনুনয় করে অয়ন।ছেলের লিঙ্গের অবস্থা এযে বির্য উৎক্ষেপণ ছাড়া নমনীয় হবেনা বুঝে,

ঠিক আছে,কিন্তু কথা দিতে হবে এক সপ্তাহ আর এসব বের করবে না তুমি,”

“এএক সপ্তাহ,মরে যাবতো,”

ছিঃ অয়ন,ওরকম করলে কিন্তু এই একসাথে শোয়া বন্ধ করে দেব আমি,”এবার একটু কড়া গলায়ই কথাগুলো বলে মধুরিমা, মামনির ব্যাক্তিত্বময়ী গলা,সেইসাথে কোমোল হাতে লিঙ্গ মৈথুন, মোহীত অয়ন

“ঠিক আছে মামনি,শুধু একটা প্রর্থনা একবার একটিমাত্র বার তোমার ওখানে ঢোকাতে দাও।”এবার একটু রেগেই যায় মধুরিমা এক ঝটকায় অয়নের লিঙ্গ থেকে হাত সরিয়ে নিয়ে

“অসম্ভব,তুমি..তোমাকে তো বলেছি অয়ন,এখন নয়।”

তাহলে কখন?”মধুরিমার কোমোল উরু চেপেধরে বলে অয়ন।

ছিঃ, “দুহাতের করতলে ছেলের মুখ চেপে ধরে,আমি তো বলেছি তোমাকে সব দেব আমি, তুমি যাযা চাও যেভাবে চাও আমার দেহ সবকিছু তোমারই হবে,”

“কিন্তু..ঠিক আছে শুধু একবার দেখাও তোমার ঐটা,”অয়ন কি দেখতে চায় বোঝে মধুরিমা তবুও বিষ্মিত হবার ভান করে,

“কোনটা?,বলে বড়বড় চোখে তাকায় ছেলের দিকে।এবার কিছুটা সাহসী দৃড়তায় মামনির তলপেটে প্যান্টির এলাস্টিকের ভেতর দিয়ে হাত ঢুকিয়ে যোনীবেদির কিনারা ঠিক ফাটল যেখানে শুরু সেই মোহনায় আঙুলের খোঁচা দেয় অয়ন,মধুরিমার শিউরে ওঠা দেখে মুচকি হেঁসে,

“তোমার গুদুরানী মামনি,তোমার সুন্দর এইটা,” বলে নগ্ন থাবায় মধুরিমার নরম দলাটা টিপে ধরে অয়ন।ঐ মুহূর্তটা মধুরিমার মনে হয় অয়ন নগ্ন করে ঢুকিয়ে দিক তাকে, সঙ্গম করে ফাটিয়ে ফেলুক যোনী,অয়নের গরম কর্কশ তালুতে রাগমোচোনের ঢেউ, একটা ঘোর পরক্ষনেই চেতনা ফিরে আসার অনুভব,নিজেকে ছাড়িয়ে নেয় মধুরিমা,কাঁপা গলায়

ঠিক আছে শুধু দেখবে বলে ভেজা টংটা খুলে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ে বালিশে মাথা দিয়ে। লাফ দিয়ে উঠে ঘরের উজ্জ্বল আলোটা জ্বেলে দেয় অয়ন।

“আহ্ হা ওটা আবার কেন”,বলে বিরিক্তি প্রকাশ করলেও একটা হাটু ভাঁজ করে উপরে তুলে একটু কাৎ করে তলপেটের নিচটা ভালোভাবে মেলে ধরে মধুরিমা। উঠে এসে তলপেটের কাছে বসে একদৃষ্টিতে গোলাপী মাতৃ অঙ্গটা দেখতে দেখতে দ্রুত লয়ে লিঙ্গটা নাড়ায় অয়ন,মধুরিমার যোনীকূন্ড লোম কামানো তবে লোমকুপের রেখায় মাখন রাঙা তলপেটের তুলনায় ইষৎ গাড়,পুরুকোয়া দুটো সামান্য সরে মেলে আছে মাঝের ফাটল কালচে মতন ভগাঙ্কুর তার নিচে আবছা আবছা গোলাপের পাপড়ির মত যোনীদ্বার কল্পনায় ওটার ভেতর নিজের লৌহদণ্ডটা ঠেলে ঢোকাতে দেখে অয়ন,মায়ের সাথে ছেলের চোদোন, আহঃ, মাথার ভেতর আরামের বিষ্ফোরন লাভার মত কি যেন তিব্র বেগে পিচকারী দিয়ে…বির্যের প্রথম স্রোত মধুরিমার খোলা উরুতে,দ্বিতীয় টা যোনীবেদির উপরে সব শেষের ছোট দুটো তলপেটের উপর

খুব ভোরে ঘুম ভাঙ্গে মধুরিমার,পাশে শোয়া ছেলেকে দেখে সে।কাল রাতে বির্যপাতের পর মায়ের বাহুতেই নগ্ন হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে ছেলেটা।ছেলেটার পুরুষালী কিন্তু সুন্দর মুখটা দেখে সে।কাল রাতে ছেলে ঘুমিয়ে যাবার পর অনেক ভেবেছে সে।অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্কের যে আগ্রহ আর লোভ তার মধ্যে কাজ করছিলো তা অনেকটাই অস্তমিত হয়ে এসেছে ভিতরে ভিতরে।ছেলের সাথে অস্বাভাবিক এই সম্পর্কের জন্য আসলে নিজেকে স্বৈরিণী হিসাবে নিজের মনের কাছে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলো মধুরিমা।উঠে পড়ে মধুরিমা আলমারি থেকে শাড়ী শায়া ব্রা নিয়ে যেয়ে ঢোকে বাথরুমে লিঞ্জেরী আর টং প্যান্টি খুলে ওয়াশিং মেশিনে দেয়।গিজার চালু করে শাওয়ারের নিচে ভিজতে ভিজতে ভাবে।আসলে সমিরন চলে যাবার পর কোনো সামাজিক জীবন নাই তাদের।বাবা মার মৃত্যুর পর আরো একা হয়ে গেছে তারা মা ছেলে।সে আর অয়ন,অয়ন আর সে এভাবে দুজন যদি চলতে থাকে তাহলে একঘেয়েমি পেয়ে বসবে তাদের,অয়নের জীবনে অন্য নারী পুরুষ,তার জীবনে অন্য নারী পুরুষ এদের আনাগোনা, তাদের প্রভাব,তারপরও যদি অয়নের প্রতি তার যৌন টান বা অয়নের প্রতি এমন টান থাকে তাহলে অন্তত একঘেয়েমির কোনো ভয় থাকবে না।আর যা হবার তাতো রাতের আঁধারেই হবে।নিজের ভাবনাগুলো সাজিয়ে নেয় মধুরিমা।

একটু বেলা করে ঘুম ভাঙ্গে অয়নের,আড়মোড়া ভেঙে চাদরের তলে নিজের সম্পুর্ন উলঙ্গ অবস্থা অনুভব করে কাল রাতের কথা মনে পড়ে যায় তার।মামনির মিষ্টতা নগ্ন শরীর কামানো কড়ির মত যোনীটা ওটার ভেজা ফাটল গোলাপের পাপড়ির মত যোনীদ্বার আর একটু হলেই ওখানে অনুপ্রবেশ ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিলো তার।উঠে পড়ে অয়ন পাজামা পরে বেরিয়ে নিজের ঘরে যেয়ে বাথরুম স্নান সেরে বেরিয়ে রান্নাঘরে উঁকি দিয়ে থমকে যায়

সকালেই স্নান সেরেছে মধুরিমা কাল রাতের লিঞ্জেরী পরা সেক্সি নয় বাঙালী কমনীয় রমনী রুপ,সবুজ একটা চিকন পাড় শাড়ী একপরল করে পরা সঙ্গে ম্যাচিং ঘটিহাতা ব্লাউজ,পিঠের দিকটা বেশ গোল করে অনেকটাই কাটা।মাখনের মর পিঠ ব্লাউজের বাহিরে ফর্সা পেটি আর কোমরের খাঁজ একটা ঢোক গেলে অয়ন,কি বিশাল আর নিটোল নিতম্ব,মাঝবয়সী সুন্দরী রমনীর ভরাট চর্বিজমা পাছার দাবনা পাতলা শাড়ীর তলে পাকা তরমুজের মত গোলাকার,সরু কোমোরের নিচে একপরল শাড়ীর তলে মামনির ওটা একটু বেশি বড় মনে হয় অয়নের,পুরুষ মানুষের চোখের উত্তাপ চমকে পিছন ফিরে অয়নকে দেখে

“কিরে দুষ্টু ছেলে কখন এলি,” বলে হাঁসে মধুরিমা।মায়ের স্নেহময়ী গলা এ ভভাষায় এই ভঙ্গীতে আগে কখনো তার সাথে কথা বলেনি মধুরিমা কিছুটা তরল পায়ে পায়ে এগিয়ে যেয়ে পিছন থেকে মধুরিমাকে জড়িয়ে ধরে অয়ন ভেজা চুলে তখনো টাওয়েল জড়ানো রান্নাঘরের গরমে বেশ ঘেমে নেয়ে উঠেছে শরীর পারফিউমের গন্ধ ছাপিয়ে মেয়েলী ঘামের মিষ্টি সুবাস পাজামার তলে শক্ত পাথর হয়ে ওঠে পুরুষাঙ্গটা।ঠোঁট কামড়ায় মধুরিমা মনে মনে ছেলেকে আর সপ্তাহ খানেক ছুঁতে দেবেনা এই প্রতিজ্ঞা করলেও ছেলের বলিষ্ঠ আলিঙ্গনে শায়ার তলে বিশেষ অঙ্গে তার নারীত্বের ফোলা উপত্যকায় একটা ভাব ওঠা উত্তাপ অনুভব করে মধুরিমা তার নিতম্বের নরমে ঘসা খাচ্ছে শক্ত কিছু রিতিমত ছ্যাকা দিচ্ছে শাড়ী শায়া ভেদ করে,

“অয়ন সর অনেক হয়েছে,”ছেলে তার লিঙ্গের মাথা তার নিতম্বের খাদে গড়িয়ে দিতে চেষ্টা করছে বুঝে বাধা দেয় মধুরিমা। একহাত মায়ের নরম পেটে অপর হাত ব্লাউজ পরা বিশাল স্তনের উপর আলতো করে স্থাপন করেছে অয়ন,ইচ্ছা থাকলেও সাহস পাচ্ছেনা টিপে দেয়ার।দু উরু চেপে ভগাঙ্কুর কচলে নিজের উত্তেজনার পারদ কিছুটা নিচে নামিয়ে

“অয়ন অনেক হয়েছে যাও যেয়ে টেবিলে বস,আমি নাস্তা দিচ্ছি,”বলে পেটের উপর ছেলের হাত সরিয়ে দেয় মধুরিমা,মায়ের সেই ব্যাক্তিত্বময়ী গম্ভীর গলা নিজেকে প্রত্যাহার করে নে অয়ন কিন্তু তার আগে তিব্র মর্দনে টিপে দেয় মামনির বাম দিকের অনস্র স্তন।একটা যন্ত্রনা মিশ্রিত আনন্দদায়ক অনুভূতি স্তনের উপর পুরুষালী হাতের মর্দনে উরুর ভাঁজে ভেজা একটা অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে মধুরিমার,ছেলেকে নাস্তা দিয়ে নিজেও প্লেট নিয়ে বসে সে।খেতে খেতেই মাকে দেখে অয়ন,আটপৌরে শাড়ী অথছ কত সুন্দর, টানা কালো চোখে কাজলের রেখা ছাড়া কোনো প্রসাধনের বালাই নেই,উজ্জ্বল ত্বকে মাখনের মসৃণতা নরম গালে পিছলে যাচ্ছে সকালের আলোর ছটা মরালী গ্রীবা ভঙ্গী তে রাজকীয় একটা আভিজাত্য ঈন্দ্রানীর মত ভরাট পেলব কাঁধ গোল বাহু বাহুমূলের একটু নিচেই শেষ হয়েছে ব্লাউজের ঘটি হাতা,আঁচল সরে দেখা যাচ্ছে স্তনের নরম মাখন পেলবতা,সামান্য ক্লিভেজ সেক্সি অথছ মিষ্টি, গোলাকার বড় বাতাবী লেবুর মত স্ফিত একদিকের স্তনের রেখা ব্লাউজের কাপড় ফেটে বেরিয়ে আসবে যেন উথলানো নরম মাংসপিণ্ড ব্রেশিয়ার দেখা যায় পাতলা কাপড়ের নিচে বগলের কাছে ভিজে আছে ঘামে গোল হয়ে বেশ অনেকটা,চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে নিজেকে,নিজের কথাগুলোকে তৈরী করে অয়ন

“দেখ মামনি,সমাজ সংস্কার ধর্ম এসব মানিনা,যথেষ্ট বড় হয়েছি আমি।তোমাকে নিয়ে আমার ভাবনা গুলো আমার কাছে সম্পুর্ন নৈতিক মনে হয়।আর একবছরের ভেতরে শেষ হবে আমার পড়াশোনা।সাধারনত এই বয়েষেই পুরুষরা তাদের ফিউচার প্লান করে।আমার ফিউচার প্লান আমি করেছি,আর যে ঘটনা ঘটে গেছে আমাদের মধ্যে তারপর আমার পক্ষে আর ফিরে আসা সম্ভব না।”

“আমাকে একটু সময় দাও অয়ন,আসলে তোমার বাবার সাথে ছাড়াছাড়ির পর যৌন বিষয়ে একটা শীতলতা এসেছিলো আমার,সেদিন ঐ ছবীর বইটা তোমার বালিশের নিচে দেখে আমার কি যে হল…আসলে ওভাবে রিয়াক্ট না করলে ঘটনাটা হয়তো এতদুর গড়াতো না।”মায়ের চোখে জল দেখে তাড়াতাড়ি চেয়ার ছেড়ে এসে মায়ের পায়ের কাছে বসে হাঁটু সহ মধুরিমার পা দুটো বুকে চেপে ধরে অয়ন।আবার বলতে শুরু করে মধুরিমা

Click on Page Number and Read Next Page…