মা আমার আগে যৌনতা ছিল – 4

বাই আন্টি,বলে অয়নের সাথে ইউনিভার্সিটি তে বেরিয়ে যায় কল্লোল।সারাদিন বিকেলের অভিসারের কথা চিন্তা করে শরীরে তাপ অনুভব করে মধুরিমা।এসির নিচে থেকেও বগল দুটো ঘামে ভিজে ওঠে তার।খাবার রান্না করাই আছে।ফ্রিজ থেকে বের করে শুধু ওভনে গরম করা।নির্জন বাড়ীতে অপরিচিত,অজানা পুরুষের স্পর্শের মোহে ছটফট করে সে।বিছানায় শুয়ে ভাবে মধুরিমা,আসলে কি সে স্বৈরিণী?এতকাল কি চাপা পড়ে ছিল?নিজের পেটের ছেলের সাথে নোংরামি কি তাকে খারাপ কিছু অশ্লীল কিছুতে নামতে বাধ্য করেছে।সেদিনে অয়নের বলা কথাগুলো,’তুমি মনে মনে আমার সাথে করতে চাও’এটা কি সত্যি নয়।আহ,আসহ্য,ছটফট করে নিজের পাদুটো বিছানায় ঘসে মধুরিমা।তার শাড়ী পেটিকোটের ঝুল তার গোলাকার ভরাট ফর্শা উরুর মাঝামাঝি উঠে যায় কল্লোল ছেলেটাও বেশ,অয়নের মত লম্বা স্বাস্থ্য আর একটু ভালো,সত্যি বলতে কি ছেলেটার আগ্রাসী দৃষ্টিতে তলপেটের নিচে ভিজতে শুরু করেছিলো তার যোনী।শাড়ী শায়া পেটের উপর তলপেটে হাত নামিয়ে নিজের ফোলা কড়িটা স্পর্শ করে মধুরিমা। এর মধ্যে হালকা লোম গজিয়েছে ওখানে।ঠোঁট কামড়ায় মধুরিমা লাজুক কিশোরীর মত নিজের চাঁপার কলির মত তর্জনী উরুসন্ধির সিথির ভেতরে ঠেলে দিয়ে গোলাপি ভগাঙ্কুর নখে খুঁটতে খুঁটতে আজকের প্লানটা ভাবে।নিউমার্কেটে নেমে গাড়ী বিদায় করে দেবে,তার পর ড্রাইভার গড়ী নিয়ে চলে গেছে নিশ্চিন্ত হলে বেরিয়ে পড়বে অভিযানে।আহ এতদিনের জমানো কামনা,অবদমন,তার সাথে স্বমীর বিশ্বাসঘাতকতা সবকিছুর একটা প্রতিশোধ,প্রকৃতি তাকে নারী করেছে তার মত সুন্দরী লাখে একটা,অথচ যৌবনের এতগুলো দিন একা একা রেখে চরম বঞ্চিত করেছে। সেই বঞ্চনার প্রতিশোধ প্রকৃতির বিরুদ্ধে নিতেই নিজের ছেলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে সে।মা ছেলেকে সঙ্গম করবে,সে চায় তার মত স্বেচ্ছাচারী হোক অয়ন,বিভিন্ন নারীর স্বাদ নিক,শুধু তাকে নিয়ে পড়ে থাকলে মুখ বদল না হলে নিষদ্ধ সম্পর্ক একঘেয়ে হয়ে যাবে হয়তো।

কল্লোলের সাথে বেরিয়ে,বাসে চড়ে অয়ন,জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে যায় দুজন।যেতে যেতে কথা হয়,

‘অনেক দিন পর আন্টিকে দেখলাম,

হ্যা,মা প্রায় তোর কথা বলতো।মিথ্যাকরে বলে অয়ন।কিন্তু কেন বলে নিজেই বুঝতে পারেনা সে।

“স্বাস্থ্য মনে হয় একটু খারাপ হয়েছে ওনার।বলে অয়নের দিকে একটু ঝুকে আসে কল্লোল।

“আসলে একা একা থাকে তো,বলে অয়ন।”

“তুই তো হইচই পছন্দ করিস না,বন্ধুদেরও বাসায় এলাও করিস না।আন্টিরও মনে হয় মেশার মত কেউ নাই।একটা মানুষ এভাবে একা একা..”

“আসলে আমি তুই আর মিথুন ছাড়া খুব বেশি কারো সাথে তো মিশিনি,আর মিথুন..”

“ওর কথা বাদদে,বাজে একটা,আমাদের গ্রুপে অনিমা আছে,প্রিয়া,নাদিরা,শ্যামল,এরা সবাই মোটামুটি ওয়েল এডুকেটেড হাই লেভেলের ছেলে মেয়ে,মিথুনের বাপ একটা দোকানদার বৈ তো কিছু নয়।’

“অনিমা তো ওর সাতে…

“অনিমা,এদিক ওদিক দেখে গলা নামিয়ে বলে কল্লোল,”ক্লাসের সব ছেলের সাথেই শুয়েছে,ও কিন্তু ওর বাড়ী বা ফার্ম হাউসে যে পার্টি হয় সেখানে কখনো মিথুন কে ডাকে না,”

“তাই নাকি?বিষ্মিত গলায় বলে অয়ন।

“নাতো কি,মিথুনের সাথে শুচ্ছে,”একটা চোখ টিপে বলে কল্লোল,”গরীবের ছেলেটার প্রতি একধরনের অবসেশন থেকে,মিথুন কে যেভাবে ডোমিনেট করতে চায় সেভাবেই ডোমিনেট করা যায়,আমাদের মত ওয়েল অফফ ফ্যামিলির ছেলেকে দিয়ে তো পা চাটানো যায় না।”

Read This : নতুন মায়ের পুত্র বাংলা যৌন গল্প

“হুমম,বলে মাথা ঝাঁকিয়েছিলো অয়ন।ইউনিভার্সিটি পৌছে যায় ওরা। লেকচার শুরু হয়েছে

ব্রেকে কথা হবে,বলে কল্লোল।

দুপুরে ক্যনটিনে যেয়ে কল্লোল,প্রিয়া অনিমার সাথে নাদিরা আর শ্যামলকে এক টেবিলে বসে থাকতে দেখে অয়ন,

“এদিকে “হাত তুলে তাকে ডাকে কল্লোল।এগিয়ে যেয়ে ওদের পাশে একমাত্র খোলা চেয়ারে বসতেই

“নাদিরার সাথে পরিচয় আছে তো,বলে অনিমা।একটু হেসে নাদিরার দিকে চেয়ে

হাই,বলে অয়ন।

“তুমিতো অয়নকে চেন? নাদিরাকে জিজ্ঞাসা কল্লোল জিজ্ঞাসা করতেই হেসে অয়নের দিকে তাকিয়ে

এক্সডিপার্টমেন্ট এর ফার্স্টক্লাস পাওয়া ছেলেকে চিনবো না,বলে নাদিরা হাত বাড়িয়ে দিতেই তার হাতটা ধরে ঝাঁকিয়ে,

“ভেরী ণাইস টু মিট উ,বলে অয়ন,সেই সাথে প্রিয়া আর অনিমা কে অদ্ভুত মুগ্ধতার চোখে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে একটা বিষ্ময় আর ভালোলাগা কাজকরে তার মধ্যে।আজ টিশার্ট আর জিন্স পরেছে প্রিয়া,তার ছোটখাটো গড়ন মানানসই সুগঠিত উরু ছোট কিন্তু সুডোল নিতম্ব,ফর্সা মুখে দারুন এক লালিমা খেলা করায় একটু অন্যরকমসেক্সি লাগছে তাকে,পাশের বাড়ীর কিশোরী ইননোসেন্ট মেয়েটা যাকে পাড়ার সব আংকেলরা নগ্ন কল্পনা করে,যথারিতি হাঁটু ঝুল সাদা বড় ঘেরের স্কার্ট আর সাদা টপস পরেছে অনিমা তার স্তন দুটো পাকা বাতাবী লেবুর মত বড়।বড়বড় চোখে কেমন মদির দৃষ্টি রসালো ঠোঁট দুটো কিছুটা পুরু ভেজা চকলেটের মত রসালো।শ্যামলা ত্বকে ঔজ্জ্বল্য চুল ঠিক করার সময় ওর টপসের বগলের কাছটা ঘামে ভিজে থাকতে দেখে গায়ের ভেতরে একটা অজানা শিরশিরানির সাথে কল্পনায় অনিমার খোলা বগলের তলাটা মনেমনে এঁকেছিলো অয়ন।

দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমিয়ে পড়ে মধুরিমা।লাবন্য আসলে আসেনি লন্ডন থেকে,সামনের মাসে আসবে।অয়নকে মিথ্যা বলার কারন কোনো রকম সন্দেহের উদ্রেক না করা।বিকেলে ড্রাইভার গাড়ী বের করে। সধারন ঘরে পরা একটা শাড়ী পরে মধুরিমা হালকা গোলাপির উপর কালো কাজ সঙ্গে কালো ব্লাউজ ইচ্ছা করেই ব্রা বা প্যান্টি পরেনা তলে। খুঁজে পুরাতন একটা পার্স ভেতরে সামান্য টাকা,ক্রেডিট কার্ড়টা লুকিয়ে নেয় চেনের ভেতরে।দামী মোবাইলটার বদলে পুরোনো একটা নকিয়া,সকালে চার্জদিয়ে সিম তুলে রেখেছিলো যেটাতে।আয়নায় নিজের গেট আপ দেখে মধুরিমা,ইন্দ্রাণীর মত সুন্দরী সে,সাধারন এই পোশাকেও অপরুপা,হতাশায় মাথা নাড়ে,মুচকি হেসে পার্সটা তুলে নিতেই রিং আসে অয়নের

“মামনি তুমি কি বেরিয়েছো?”

“না,বলো”

“আচ্ছা,মানে ঠিক আছে সাবধানে যেও,কটা নাগাদ ফিরবে,”

একটু দেরী হতে পারে।

“আচ্ছা।বাই,”বলে ফোন কেটে দেয় অয়ন।ছেলে এখনো তাকে বাচ্চা মেয়ে ভাবে,ভেবে ভালোলাগায় ভরে ওঠে মধুরিমার মন।গাড়ী তাকে নিউমার্কেটে নামিয়ে দিলে ড্রাইভার কে চলে যেতে বলে,ভেতরে যেয়ে এদোকান ওদোকান ঘুরে সময় পার করে।একঘন্টা,তারপর বেরিয়ে পড়ে মধুরিমা।ফুটপাত ধরে হাঁটতে শুরু করতেই মানুষের ভিড় গিলে নেয় তাকে।সাধারন জীবন,যেখানে অভাব থাকবে চিন্তা থাকবে সেই সাথে তিব্র ভালোবাসার একটা মানুষ,যে তার সাথে রাগারাগি করবে ঝগড়া করবে,আবার রাতে নগ্ন করে তার দেহটা দলিত মথিত করে তাকে উদ্দাম আদরে ভাসিয়ে দেবে।বড়লোক বাবা মায়ের আদুরে মেয়ে,স্বামীর সাথে শ্রেণী পার্থক্যের জন্য দুরত্ব,বিচ্ছেদ,আইসোলেটেড জীবন,আসলে ঘৃনা ধরে গেছে মধুরিমার আর ঘৃণা র এই মেঘ জমতে জমতে এত ঘন হয়েছে যে নিজের পেটের ছেলেকে নিয়ে যৌনতার স্বপ্ন আজ তার জীবনে সত্যি হতে চলেছে প্রায়।নতুন অনুষঙ্গ এই আডভেঞ্চার নতুন অজানা কোনো পুরুষকে দেহ দেখানো, তাদের স্পর্শ, সম্ভব হলে যৌনমিলন, সত্যি কি এমন কারো সাথে যৌন মিলন হবে তার?জানেনা সত্যি জানেনা সে।এই যেমন এখন দুবার নিতম্বে হাতের ছোঁয়া পেয়েছে সে,হাটার তালে ইচ্ছে করেই ঢেউ তুলতে শুরু করেছিলো গুরু নিতম্বে।মিনিটের মাথায় নিতম্বে হাতের স্পর্শ।সামনে বাস স্টপ ভিঁড় কোথাকার বাস জানে না,গন্তব্য কোনো ব্যাপার না,ঠেলাঠেলি করে উঠে পড়ে বাসে।ভরা বাস তাতে আরো যাত্রি তিলমাত্র জায়গা নেই,কোনোমতে হ্যান্ডেল ধরে দাঁড়াতেই পিছনে শরীরের সাথে কারো স্পর্শ,পিছন ফিরে দেখে মধুরিমা,একটা গুন্ডা টাইপের ছেলে শ্যামলা বেশ স্বাস্থ্যবান,অয়নের থেকে কিছুটা বড় হবে বয়ষে,চেহারায় স্পষ্ট লাম্পট্য, ফুটপাতে এই ছেলেটাই পিছু নিয়েছিলো তার,সম্ভবত এই হাত দিয়েছিলো তার পাছায়।বাসের ভিঁড়ে কিছুই করার নেই,এর মধ্যে বাসের ঝাঁকিতে বেশকবার তার নিতম্বে তলপেট চেপে ধরেছে ছেলেটা,ডান নিতম্বের উপরে শক্ত কিছুর ঘসা,জিন্স পরা ছেলেটার দৃড় পুরুষাঙ্গ একসময় স্থায়ী ভাবে স্থাপিত হয় ওখানে।সামনে একটা মাঝবয়সী লোক,এরমধ্যে তার উরুতে হাতের স্পর্শ দিতে শুরু করেছে।ঘামছে মধুরিমা সারা শরীর শাড়ী শায়া বিনবিনে ঘামে ভিজে উঠছে তার সেইসাথে শাড়ী শায়ার তলে দুউরুর খাঁজে ভাব ওঠা উত্তাপ,ভগাঙ্কুর ফুলে উঠেছে রস বেরিয়ে উরুর ভেতরের দেয়ালে চটচটে রস।এদিক ওদিক দেখে মধুরিমা, না কেউ তাকিয়ে নেই,আসলে তাকানোর মত কোনো অবস্থাই নেই কারো।বাম হাত তুলে হ্যান্ডেল ধরে আছে সে,অরক্ষিত ওদিকের স্তন,আর ব্লাউজের নিচে খোলা পেট,নাভীর নিচে শাড়ীর কশি,ভদ্রোচিত হলেও নগ্ন কোমোরের খাঁজ বেশ স্পষ্ট।কোমোরে পেটের খোলা জায়গায় বেশ কবার ছেলেটার আঙ্গুলের স্পর্শ যেন বুঝে নিতে চায় মধুরিমাকে।ওদিকে সামনেকার লোকটাও থেমে নেই,এগিয়ে গেছে অনেকদূর মধুরিমার শাড়ী পরা মাখন কোমোল উরুতে আঙুল বোলাতে বোলাতে হাতটা এমন জায়গায় তুলে এনেছে যেখানে আঙুলের ডগা উরুসন্ধিস্থলে মধুরিমার শাড়ী শায়ার তলে প্যান্টিহীন তুলতুলে যৌনাঙ্গটার উপর স্থির হয়ে আছে। এমন অরক্ষিত অবস্থায় যে লোকটা চেপে ধরলেই নরম দলাটা তার মুঠোবন্দি হয়ে যাবে।আহ,এ এক অন্যরকম বিজাতীয় আনন্দ।সন্ধ্যা হয়ে গেছে বাসের ভিতরে আবছা অন্ধকার,পিছনের ছেলেটা বুঝে গেছে কোনো প্রতিবাদ করবে না মধুরিমা।এর মধ্যে খোলা পেটে হাত বোলানো হয়ে হাতটা পৌছে গেছে ব্লাউজ পরা স্তনের ঢালে।সামনের লোকটা আঙুল নড়তে শুরু করে শাড়ী শায়ার নিচে নারী যৌনাঙ্গের ব্যাপ্তি বুঝে আঙুলের আগুনের মত ডগা ছুঁয়ে যায় ভগাঙ্কুরের উপর একবার দুবার তিরতির করে রস ক্ষরন,স্তনে মৃদু মর্দন একবার দুবার,বেশ কয়েকবার হবার পর তিব্র মুঠোয় চেপে ধরে,রাগমোচোন হতে থাকে মধুরিমার তিরতির করে জল বেরিয়ে উরু বেয়ে গড়িয়ে নামে।পিছনের ছেলেটার সাহস অনেক বেশি স্তন টিপে ব্রেশিয়ার নেই বুঝে ব্লাউজের নিচের দুটো হুক খুলে দিয়ে একটা হাতের আঙুল ঢুকিয়ে বামদিকের খোলা স্তনের উপর কিছুক্ষণ রেখে এটাতেও প্রতিবাদ হবে না বুঝে,হাতের সুখ নিতে শুরু করে।এদিক ওদিক দেখে মধুরিমা বাসে এখন বেশ অন্ধকার।কেউ দেখছেনা,তবুও আঁচল দিয়ে ছেলেটার হাত ঢেকে দেয় সে।সামনের স্টপেজ আসে,সামনের লোকটা যোনীটা টিপে দিয়ে নেমে যাওয়ার জন্য এগিয়ে যায়।কিছু লোক নামে কিছু ওঠে।পিছনের ছেলেটা তার নিতম্বের কাছে হাত নামিয়ে কি যেন করছে,গলা শুকিয়ে কাঠ বুকের ভেতরে ঢিব ঢিব করছে,হা ভগবান,চেন খুলে লিঙ্গ বের করে শাড়ীর উপর দিয়ে তার পাছায় ঘসছে ছেলেটা,গাড়ীর ঝাঁকুনি সামনে থেকে চাপ,বাইরে সন্ধ্যা নেমে আঁধার ঘনালেও রাস্তা নিয়নের উজ্জ্বল আলো মাঝে মাঝে ভেতরে আসছে অনেক ভিড় আলোর ঝলকে কাধের কাছ পর্যন্ত দেখা গেলেও নিচে কি ঘটছে তা বোঝা অসম্ভব।সামনের স্টপেজ আর দশ মিনিট সল্টলেকের এই স্টপেজ টাই শেষ।ভিড় বাসে লেডিস সিট বাদে আরো বেশ কতগুলো মেয়ে তার মত দাঁড়িয়ে যাচ্ছে, মধুরিমা বোঝে ইচ্ছায় অনিচ্ছায় তাদের সাথেও যে একই খেলা চলছে। তার দু সারি সামনে দাঁড়ানো মেয়ে গুলোর অভিব্যক্তি পুরুষগুলোর গায়ের সাথে সেটে থাকার ভঙ্গিতে বেশ বোঝা যাচ্ছে মেয়েগুলোর শরীরে তাদের যৌন কামনা চরিতার্থ করছে লোকগুলো।

এর মধ্যে শড়ী শায়ার উপর দিয়েই তার নিতম্বের খাঁদ খুজে পেয়েছে ছেলেটা,তার লিঙ্গের উৎক্ষিপ্ত অবস্থা উত্তাপ ঘামেভেজা শাড়ী শায়া ভেদ করে বাসের ঝাঁকির সাথে ঘর্ষিত হচ্ছে ধারাবাহিক ছন্দে,এর মধ্যে তার স্তন ছেড়ে তার নাভির কাছে হাত নামিয়েছে ছেলেটা এর মধ্যে শাড়ী শায়ার বাধনের ভিতর দিয়ে তার তলপেটে হাত ঢোকানোর চেষ্টা দুবার ব্যার্থ করে দিলেও তার সামান্য অসাবধানতার সুযোগে কুঁচির কাছে হাতটা ঢোকানোর সুযোগ পেয়ে যায় ছেলেটা বাসের ঝাঁকি নয় এবার ছেলেটার দ্রুত নড়াচড়া নিতম্বের ফাটলটায় যেন আগুন ধরে যায়,অসভ্য হাতটা নামছে,দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ায় মধুরিমা,পাশে সিটে বসা এক বৃদ্ধা মহিলা বিষয়টা মনে হয় টের পেয়েছে,কিন্তু এখন আর কিছুই করার নেই,কিছুই এসে যায় না আসলে ছেলেটার হাত নেমে যাচ্ছে তার ফাটলের ভেতর ভগাঙ্কুর স্পর্শ করে,নিজের অজান্তে এক রকম সেল্ফ ডিফেন্সেই নিতম্ব পিছনে ঠেলে অগ্রসরমান হাতকে থামিয়ে দিতে চেষ্টা করে মধুরিমা,এসময় তার পিঠের সাথে ঝাঁকি দেয় ছেলেটার ভারী দেহ নিতম্বের কাছে ভেজা অনুভূতিতে,যা বোঝার বুঝে নেয় সে।বাস স্টপ এসে গেছে দ্রুত নিজেকে সামলে নেয় সে এরমধ্যে তলপেট থেকে বেরিয়ে যায় হাত টা দ্রুত এগিয়ে নেমে যায় মধুরিমা, দ্রুত সামনে একটা ট্যাক্সি দেখে উত্তরে যাবে কিনা জিজ্ঞাসা করে উঠে পড়ে।ট্যাক্সি ছেড়ে দিতেই ছেলেটাকে দেখে সে তাকে ট্যাক্সিতে উঠতে দেখেছে ছেলেটা হতঃবিহব্বল হয়ে তাকিয়ে আছে তার দিকে।হাঁপ ছাড়ে মধুরিমা,আঁচলের তলে হাত ঢুকিয়ে নিজেকে বিনস্ত্য করে। বাড়ীর সামনে এসে ট্যাক্সি ছেড়ে দেয়।সোয়া সাতটা বাজে।কলিংবেল বাজাতে দরজা খুলে

কি হয়েছে মা,ঘামে ভেজা মধুরিমাকে দেখে জিজ্ঞাসা করে বিষ্মিত অয়ন।

Read This : গোপার গুদের সুখ -1

আর বলিস না,লাবন্যদের গাড়ী খারাপ,রাস্তায় জ্যাম,গাড়ীতে এসি নাই।

আমাকে বলবেনা,আমি গাড়ী নিয়ে যেতাম,”

যাকগে,খেয়েছো কিছু,

হ্যা,বলে মায়ের বিদ্ধস্ত অবস্থাটা আর একবার মা থেকে মাথা পর্যন্ত দৃষ্টি বুলিয়ে দেখে অয়ন।

Click on Page Number and Read Next Page…